Homeলাইফস্টাইলচুল পড়া বন্ধ করার উপায় ২০২১

চুল পড়া বন্ধ করার উপায় ২০২১ [ দারুন সব ফর্মূলা ]

হ্যালো বন্ধুরা আজ আমি আপনাদেরকে চুল পড়া বন্ধ করার উপায় নিয়ে এমন এমন সব দারুন তথ্য শেয়ার করতে যাচ্ছি যা আপনাদের আসলেই অনেক অনেক উপকারে আসবে।চুল পড়া এখনকার দিনে মানুষের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। নানা কারনে মানুষের চুল পড়ে থাকে যেমন খারাপ ডায়েট, বদহজম এবং কম মাত্রায় চুলের যত্ন সহ বেশ কয়েকটি কারণ হতে পারে। তবে দৈনিক ১০০ টি চুল পড়া স্বাভাবিক।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

চুল পড়া কমাতে ডায়েট বড় ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন এ, সি, ডি, ই, প্রোটিন, জিঙ্ক এবং আয়রনের অভাবে চুল পড়ে থাকে ।আবার বংশগত কারনেও অনেকের চুল পাতলা হয়ে থাকে বা বেশি পড়তে পারে।এটিকে এন্ড্রজেনেটিক অ্যালোপেশিয়া বা টাক বলা হয়। এটিকে চুল পড়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।পুরুষদের ক্ষেত্রে বংশগতভাবে টাক পড়া দেখা যায়, চুলের রেখা বরাবর চুল কমে যাওয়া, এর সঙ্গে মাথার চামড়ার উপর অংশে চুল পড়ে যায়। অন্যদিকে মহিলাদের ক্ষেত্রে চুলের রেখা ঠিক থাকে এবং সামনে ও মাথার উপরে চুল পাতলা হতে থাকে।

বিভিন্ন রেগেও চুল পড়ে যেতে পারে যেমন সিকাট্রিসিয়াল এলোপেশিয়া এই রোগে চুলের গ্রন্থিগুলি নষ্ট হয়ে যায়। যেখানে চুলের গ্রন্থিগুলি থাকে সেখানে দাগযুক্ত কোষ গঠিত হয় এবং পুনরায় বৃদ্ধি আর হয় না। থাইরয়েড রোগ এবং লৌহ জাতীয় খনিজের অভাবে রক্তাল্পতা হলেও চুল পড়তে পারে। আরও পড়ুন : সাদিয়া নামের অর্থ কি জেনে নিন এখনই

রেডিয়েশন থেরাপি এবং কিছু কেমোথেরাপি চিকিৎসার ফলে চুল পড়ে যায়।মাথার চামড়ার উপরে দাদ বা ছত্রাক জাতীয় সংক্রমণ থেকেও চুল পড়তে পারে। এটি সাধারনভাবে শিশুদের ক্ষেত্রে হয় যার ফলে মাথার উপরের চামড়াতে টাক পড়া বা দাগ হয়ে যেতে পারে। যদি কোনো ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিক চাপে থাকে চুল উঠে যেতে পারে। বড় অস্ত্রপ্রচারের পর, তীব্র জ্বর, তীব্র সংক্রমণ বা ফ্লু এর পরেও চুল পড়ে যেতে পারে।বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে হরমোনের মাত্রার কোনো পরিবর্তন হলে চুল পড়ে যেতে পারে। মেনোপজ ও শিশু জন্মদানের পর ইস্ট্রজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার ফলে চুল পড়ে যাওয়া সাধারনত হয়। ইস্ট্রজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার ফলে চুল পড়ে গেলে , এই পড়ে যাওয়া ক্ষনস্থায়ী হয়, চুল আবার বেড়ে যায়।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়
চুল পড়া বন্ধ করার উপায়





ওজন সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে লোকেদের চুল পড়ে যেতে পারে।এই চুল পড়ে যাওয়া খুবই সাধারন ঘটনা, ঠিকমত খাবার খেলে এবং ওজন ঠিক হলে চুল আবার ফিরে পাওয়া যায়।যখন শরীর ঠিকমতো প্রোটিন না পায় চুল পড়ে যেতে পারে , কারন চুলে প্রটিন সংরক্ষিত থাকে, এর ফলে চুলের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। ঠিকমত প্রটিনযুক্ত খাবার খেলে এটি বন্ধ ও প্রতিরোধ করা যায়।
ঔষধের ব্যবহারের ফলে চুল পড়ে যেতে পারে , যেমন উচ্চ রক্তচাপের ঔষধের ফলেও চুল পড়ে থাকে। অতি মাত্রায় চুলে প্রসাধনী ব্যবহারের ফলে আমাদের চুলের অনেক ক্ষতি হয়। : প্রত্যেকদিন শ্যাম্পু করা, চুল আঁচড়ানো বা চুলে রং করার ফলে চুল ভেঙ্গে যায় । চুল সোজা করার স্ট্রেটনার, প্রত্যেকদিন চুল শুকনোর ড্রায়ার ব্যবহার চুলের ক্ষতি করে। চুল সবসময় বাতাসে শুকনো উচিত। রোজ চুল শক্তভাবে বাঁধলে চুল ভেঙ্গে যেতে পারে। পড়ুন : বাংলায় ব্লগিং (Bangali Blogging) করে মাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব?

চুল পড়া বন্ধ করার কিছু চিকিৎসা-পদ্ধতি

মিনোক্সিডিল : এই ওষুধ মাথার উপরের চামড়াতে প্রয়োগ করা হয়। এটি চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বন্ধ করা এবং চুলের বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে। এটি পুরুষ ও মহিলা উভয়ই ব্যবহার করতে পারেন। লেজার ট্রিটমন্টঃএই চিকিৎসার মাধ্যমেও চুল পড়া রোধ করা যায়। প্রেসক্রিপশান করা ওষুধ

ফিনাস্টেরাইড : এটি এফ ডি এ অনুমোদিত ওষুধ যেটি পুরুষদের ক্ষেত্রে চুল পড়ে যাওয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি বড়ি আকারে পাওয়া যায় এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে (প্রায় ৮৮ % ক্ষেত্রে) ধীরে ধীরে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় সাহায্য করে। ফিনাস্টেরাইড পুরুষদের শরীর থেকে একটি হরমোন ডিহাইড্রটেস্টস্টেরণ (ডি টি এইচ)নিঃসরণ বন্ধ করে দেয়।

চুল প্রতিস্থাপন : মাথার উপরের চামড়ার যেখানে ভালো চুলের বৃদ্ধি আছে সেটিকে তুলে ফেলা এবং মাথার উপরের চামড়ার যে জায়গায় চুলের প্রয়োজন আছে সেখানে প্রতিস্থাপন করা।

চামড়ার ফ্ল্যাপ : মাথার উপরের চামড়ার চুলযুক্ত অংশকে অস্ত্রোপ্রচারের দ্বারা সরিয়ে ফেলা এবং যেখানে চুল প্রয়োজন সেই অংশে লাগিয়ে দেওয়া। উপরের এই চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে করা উচিত। এছাড়া এগুলো ব্যয়বহুল পদ্ধতি।তবে কিছু ঘরোয়া সহজ পদ্ধতি রয়েছে যাতে চুল পড়া কন্ট্রোল করা সম্ভব।

চুল পড়া বন্ধ করার কিছু ঘরোয়া উপায়

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে মেথি
আধা কাপ নারকেল তেলে ১ চা চামচ মেথি দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে অ্যালোভেরা জেল
সপ্তাহে দুইদিন অ্যালোভেরা জেল লাগান চুলে। অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল সংগ্রহ করে লাগান চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে। চুল পড়া বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ঝলমলে হবে চুল।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে পেঁয়াজের রস
চুল পড়া বন্ধ করতে পেঁয়াজের রস ভীষণ কার্যকর। পেঁয়াজের রস সরাসরি চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। আধাঘন্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে। পড়ুন : চুলের যত্নে পেঁয়াজ রস কী ভাবে ব্যবহার করবেন? 

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে ডিমের কুসুম ও মধু
ডিমের কুসুম ফেটিয়ে মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে তেল

তেল সপ্তাহে একদিন চুলে তেল ম্যাসাজ করুন। আগে গরম করে নেবেন সামান্য। ম্যাসাজ শেষে গরম তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে নিন চুল। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে অলিভ অয়েল, জিরা ও মধু
১/৪ কাপ অলিভ অয়েলে ১ চা চামচ জিরা ভিজিয়ে রাখুন ৫ ঘণ্টা। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে তেল আলাদা করে নিন। তেলে খানিকটা মধু মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করলে কাজ হবে দ্রুত। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাদ্যগুলোতে চুলের জন্য উপকারী ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টি উপাদান রয়েছে।

জিঙ্ক
চুলের গ্রন্থির স্বাস্থ্যের জন্য জিঙ্ক জরুরি। চুলের গ্রন্থির ক্ষয়ে যাওয়া রোধ করে চুলের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে জিঙ্ক। জিঙ্ক হরমোনের ভারসাম্যও রক্ষা করে ব্যাপকভাবে। জিঙ্কের ঘাটতি হলে চুল পড়া বাড়ে। প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিলিগ্রাম জিঙ্ক দেহে প্রবেশ করলেই যথেষ্ট। খুব বেশি জিঙ্ক খেলে আবার মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।কুমড়ার বীজ, হিজলি বাদাম, স্পিনাক, দই, মুরগীর মাংস, ছোলায় ভসল জিঙ্ক পাওয়া যায়।

ওমেগা-৩ফ্যাটিএসিড
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বেশি পাওয়া যায় মাছে। এই উপাদানটি চুলকে করে সজীব এবং ঘন। এবং মাথার ত্বকের প্রদাহ রোধ করবে। মাছ, ডিমের কুসুম, শণবীজ, সয়াবিন, শ্বেতবীজ, চিয়া বীজে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়।

বি-কমপ্লেক্স-ভিটামিন সমূহ
বি কমপ্লেক্স এর ঘাটতি হলে চুল পড়া বাড়ে। আর সেগুলো হলো, বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭, বি৯ এবং বি১২।ডাল, বাদাম, আলু, মাছ, ডিম, শীম, সয়াদুধ এই খাবারগুলোতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ভিটামিন সমুহ পাওয়া যায়।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে আয়রন
আয়রনের ঘাটতি হলে অ্যালোপেসিয়া, ট্যালোজেন এফ্লুভিয়াম এবং চুল পাতলা হওয়ার মতো ক্ষতি হয়। দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন সরবরাহ করা হলে চুল শক্তিশালী, পুরু এবং চকচকে হয়। চুলের গোছার বৃদ্ধি ঘটায় আয়রণ। মাথার ত্বকের কোষে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে আয়রন। যাতে চুলের বৃদ্ধি ঘটে দ্রুত গতিতে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ১৮ মিলিগ্রাম আয়রন দরকার হয়। কচু শাক, স্পিনাক, কিসমিস, এপ্রিকোট, কালো শীম, ডিমের কুসুম, লাল মাংস, মুরগীর মাংস প্রভৃতিতে আয়রন আছে প্রচুর পরিমাণে।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে ভিটামিন সি
প্রয়োজনীয় কোলাজেন সরবরাহ করে ভিটামিন সি। এটি এমন একটি প্রোটিন যা চুলের স্থিতিস্থাপকতা ও শক্তি বজায় রাখে। কোলাজেন অ্যামাইনো এসিডের সরবরাহ বাড়ায়। যা চুলের কাঠামোতে ক্যারাটিনের ভিত্তি তৈরি করে। ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে। কিন্তু, আপনি হয়তো জেনে বিস্মিত হবেন, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস চুলের বুড়িয়ে যাওয়া এবং ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ড্যামেজের রাস্তা খুলে দেয়। যথাযথ পরিমাণে ভিটামিন সি খেলে এই সমস্যা দূর হয়। প্রতিদিন একজন নারীর জন্য ৭৫ মিলিগ্রাম এবং একজন পুরুষের জন্য ৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি দরকার হয়।কমলা, লেবু, কাঁচা ক্যাপসিকাম, ব্রকলি, স্ট্রবেরি, পেয়ারা, কিউই, জাম্বুরা ইত্যাদিতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে ভিটামিন ডি
ভিটামিন ডি এমন একটি হরমোন যা চুলের জন্য উপকারী। এবং এটি নতুন চুলের গ্রন্থি সৃষ্টিতে সহায়ক। ফলে চুল গজানো বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অ্যালোপেসিয়া বা তীব্র চুলপড়া রোগে আক্রান্ত তাদের দেহে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি আছে। যদিও অনেকেই এটা জানেন না। ভিটামিন ডিও চুলের অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো মাথায় সরাসরি সূর্যের রোদ লাগানো।কড লিভার তেল, মাশরুম, ডিম, দুধ, বায়োটিন প্রভৃতি ভিটামিন ডি-র সবচেয়ে ভালো উৎস।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে বায়োটিন
যারাই চুলপড়া রোগে আক্রান্ত তারাই নিশ্চিতভাবে বায়োটিনের ঘাটতিতে ভুগছেন। চুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে বায়োটিন থাকলে অ্যামাইনো এসিড উৎপন্ন হয় যখন বায়োটিন কোষের এনজাইমের সঙ্গে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া করে। অ্যামাইনো এসিড থেকে উৎপন্ন হয় ক্যারাটিন নামের প্রোটিন। স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য প্রতিদিন অন্তত ৩০ মাইক্রোগ্রাম বায়োটিন জরুরি।
পাশাপাশি, বায়োটিন ক্ষতিগ্রস্ত চুলকে পুনরায় উজ্জীবিত করে তোলে এবং চুলের ঘনত্ব বাড়ায়। বায়োটিনে সমৃদ্ধ খাবারগুলো হলো, অ্যাভোকাডো, ডিম, র‌্যাস্পবেরি, ফুলকপি, পূর্ণ শস্য গমের পাউরুটি, বাদাম, খামির, চেষর, পনির।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়  হিসেবে ভিটামিন এ
মাথার ত্বকে সেবাম নামের একটি প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন হয়। যা একে স্বাস্থ্যবান রাখতে সহায়ক। ভিটামিন এ সেবাম উৎপাদনে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। মাথার ত্বকে সেবামের পরিমাণ কমে গেলে তা শুকিয়ে যায় এবং চুলের উজ্বলতা কমে যায়। ভিটামিন এ চুলকে ঘন করতে সহায়ক কোষেরও বৃদ্ধি ঘটায়। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৭.৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন এ গ্রহণ করা যায়।গাজর, স্পিনাক, আম, শুকনো এপ্রিকট,পিচ,মিষ্টিআলুতে ভিটামিন এ পাওয়া যায়।

Rahmannasimahttps://dokandaari.xyz
খুব ছোট বেলা থেকেই লেখালেখির খুব নেশা। তাই লেখতে ভালবাসি। আমি আতিকুর রহমান।ইনফরমেশন মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। কিছু টিপস এবং অনলাইনে আয় বিষয়ে সঠিক গাইডলাইন সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ব্লগিং এ জড়িত হয়েছি। ধন্যবাদ
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 + 16 =

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular